চন্দ্রশেখরের বিবাহ – কালিকা পুরাণ

অষ্টচত্বারিংশ অধ্যায় – চন্দ্রশেখরের বিবাহঃ ঔর্ব বলিলেন, মহাদেব পৌষ্যজায়াতে ইচ্ছাবশত অবতীর্ণ হইলে এবং মনুষ্য-পরিমাণে দুই বৎসর অতীত হইলে, গিরিজা যেরূপ পূর্বে মেনকার জঠরে জন্মগ্রহণ করিয়াছিলেন, সেইরূপ ককুৎস্থ রাজার ভাৰ্য্যার গর্ভে জন্মগ্রহণ করিলেন। ১-২

আর্যাবর্তের অন্তর্গত ভোগবতী নামে নগরীতে ব্ৰহ্মণ্যানুষ্ঠানরত মহা বীর্যশালী ককুৎস্থ নামে অতি ধাৰ্মিক অত্যন্ত রিপুনিষূদনকারী, সৰ্বলক্ষণ সম্পন্ন, সমস্ত রাজগুণ-যুক্ত ইক্ষাকুবংশীয় এক রাজা ছিলেন। ৩-৪

মহাভাগ্যশালিনী ভৰ্গদেবের তনয়া মনোন্মথিনী নামে তাহার প্রেয়সী ভাৰ্য্যা ছিলেন। ৫

ককুৎস্থ নৃপতি হইতে তাহার দেবগণের ন্যায় অচ্যুত বলবীৰ্যযুক্ত এক শত পুত্র জন্মিল; একটীও কন্যা প্রসূতা হইল না। ৬

সেইজন্য ককুৎস্থ-পত্নী গৃহান্তরে নিভৃত স্থানে চণ্ডিকাকে পূজা করিতে আরম্ভ করিলেন। ৭

মহাদেবী চণ্ডিকা পূজিত হইয়া তিন বৎসরের পর প্রসন্ন হইলেন এবং স্বপ্নে ককুৎস্থপত্নীকে বলিলেন। ৮

চন্দ্রশেখরের বিবাহ - কালিকা পুরাণ

চন্দ্রশেখরের বিবাহ – কালিকা পুরাণ

স্ত্রীলক্ষণ-সম্পন্না সার্বভৌম রাজার স্ত্রী এবং নক্ষত্রমালাযুক্ত তোমার একটী কন্যা হইবে। ৯

ককুৎস্থ-পত্নী স্বপ্নে বর প্রাপ্ত হইয়া অত্যন্ত আনন্দিত হইলেন; পাৰ্বতীও স্বয়ং কালক্রমে তাহার গর্ভে প্রবেশ করিলেন। ১০

দেবী মনোন্মথিনী ঋতুসঙ্গম বশতঃ অমৃতসমূহ চন্দ্রিকার ন্যায় মহাসত্ব সম্পন্ন গর্ভ ধারণ করিলেন। ১১

তাহার পর, কালপূর্ণ হইলে দেবী মনোন্মথিনী নক্ষত্রমালিনী সুন্দরী কন্যা প্রসব করিলেন। ১২

শারদীয় চন্দ্রিকার ন্যায় মনোহারিণী এবং হার-সংযুক্তা, সেই নবপ্রসূতা তনয়াকে দেখিয়া ককুৎস্থ, ভাৰ্য্যার সহিত অত্যন্ত আনন্দিত হইলেন। ১৩

সহজ হারে ভূষিত ককুৎস্থতনয়া বর্ষাকালীন সুরনদীর ন্যায় ককুৎস্থের ভবনে বৃদ্ধি পাইতে লাগিলেন। ১৪

হে নৃপসত্তম। স্বাভাবিক হারচিহ্ন আছে বলিয়া পিতা উপযুক্ত কালে তাহার নাম তারাবতী রাখিলেন। ১৫

সেই বরবণিনী কালক্রমে বাল্যভাব অতিক্রম করিয়া, মাধবের লক্ষ্মীর ন্যায় যৌবনের উদ্যমজনিত শোভা প্রাপ্ত হইলেন। ১৬

তারাবতী, স্বীয় শোভার দ্বারা লক্ষ্মীর অনুকরণ করিলেন এবং শুদ্ধতায় সতীর অনুকরণ করিলেন, শীতলতায় সুশীলার ও চরিত্ৰদ্বারা পার্বতীর অনুকরণ করিলেন। ১৭

রাজা ককুৎস্থ, তনয়ার যৌবনোদ্যম দর্শন করিয়া সুতগণের সহিত মন্ত্রণা করিয়া তাহার স্বয়ংবর করাইলেন। ১৮

বৈশাখমাসের প্রারম্ভে বৃদ্ধচন্দ্রে শুভদিনে পিতা সুতগণের সহিত, তারাবতীর স্বয়ংবর সভা করিলেন। ১৯

নানাদেশীয় রাজবর্গের সমীপে স্বয়ংবর-বার্তাবহ বহু দূত অশ্বপৃষ্ঠে শীঘ্র প্রেরণ করিলেন। ২০

রাজবৰ্গ দূতমুখে স্বয়ংবর-বৃত্তান্ত শ্রুত হইয়া শীঘ্র তারাবতীর স্বয়ংবর স্থলে সমবেত হইলেন। ২১

পৌষ্য-তনয় চন্দ্রশেখর-রাজা তাহা শ্রবণ করত চতুরঙ্গবলের সহিত দেবালঙ্কারে ভূষিত হইয়া স্বয়ম্বর-স্থলে গমন করিলেন। ২২

নৃপশ্রেষ্ঠগণ ককুৎস্থ-নির্মিত স্বয়ম্বর-সভা-বেদিকায় উপস্থিত হইয়া যথা যোগ্যাসনে উপবেশন করিল। ২৩

ককুৎস্থ নিজ তনয়াকে শুভলগ্নে শুভমুহুর্তে সভায় উপস্থিত করিতে ইচ্ছা করিলেন। ২৪

ইহার মধ্যে বরবর্ণিনী রাজকুমারী, সম্পূর্ণ জ্ঞানশালিনী স্বীয় বৃদ্ধা ধাত্রীকে স্বয়ম্বর-সভা দর্শন করিবার নিমিত্ত প্রেরণ করিলেন। ২৫

সেই সময়ে মঙ্গলযুক্তা রাজনন্দিনী ধাত্রীকে বলিলেন, ধাত্রি। তুমি সয়ংম্বরসভাস্থলে গমন করিয়া, মনোহর-রূপ-সম্পন্ন সৰ্বসুলক্ষণশালী রাজাকে বিশেষ রূপে নিরূপণ করিয়া আমার নিকটে আসিয়া বল। ২৬-২৭

হে মাতঃ! তুমিই আমার কল্যাণ ও সৌভাগ্য বিশেষ বাঞ্ছা কর। অতএব যাহাতে আমি সৌভাগ্যশালী স্বামী পাইতে পারি, তদ্বিষয়ে বিশেষ যত্ন কর। ২৮

ধাত্রীকে প্রেরণ করিয়া নৃপতনয়া মনোন্মথিনী যেস্থানে চণ্ডীর আরাধনা করিয়াছেন, সেইস্থানে গমন করিলেন। ২৯

মহাভাগ্যশালিনী তারাবতী চণ্ডিকার মন্দিরে গমন করিয়া, দেবী কালিকাকে প্রণাম করিলেন। ৩০

চন্দ্রশেখরের বিবাহ - কালিকা পুরাণ

মনুষ্যভাবে আপনার প্রকৃষ্ট জ্ঞান না থাকাতে মহাভক্তিপূর্বক প্রণাম করত তিনি এই কথা বলিলেন;–মহামায়া জগন্ময়ী যোগনিদ্রাকে আমি প্রণাম করিতেছি, সেই ভক্তবৎসলা চণ্ডিকা আমার প্রতি প্রসন্না হউন। ৩১-৩২

যদি মাতা আমার জন্য সত্য আপনাকে পূজা করিয়া থাকেন, তবে সেই সত্যে অদ্য স্বয়ম্বরে আমার নৃপোত্তম সুভগ পতি হউক। ৩৩

হে হরবল্লভে! আমার প্রতি প্রসন্ন হউন। ৩৪

তাহার এই বাক্য শ্রবণ করিয়া, হরমোহিনী চণ্ডিকা, যেরূপে আপনাকে না জানিতে পারে, তদ্রূপ নৃপসুতাকে মোহিত করিয়া অদৃশ্যভাবে এই মনোহর বাক্য বলিতে লাগিলেন। ৩৫

চন্দ্রশেখর নামে পৌষ্যতনয় মনোহররূপ সম্পন্ন; সেই তোমার প্রিয় স্বামী হইবে। ৩৬

হে বরারোহে! শিরঃস্থিত ইন্দুকলাচিহ্নিত সেই নৃপসত্তমকে, যেরূপে পাৰ্বতী বৃষধ্বজকে বরণ করিয়াছিলেন, সেইরূপ তুমিও বরণ কর। ৩৭

পাৰ্বতী নৃপতনয়াকে এইকথা বলিয়া নীরব হইলেন; নৃপতনয়াও অদৃশ্য রূপা চণ্ডিকাকে প্রণাম করত হর্ষোৎফুল্ল লোচনে মাতৃ-নির্দিষ্ট মঙ্গলগৃহে গমন করিলেন। ৩৮

হে নৃপসত্তম! অনন্তর ধাত্রী তারাবতীর সদৃশ পতি নিরূপণ করত গোপনীয় বিষয় বলিতে আগমন করিল। ৩৯

নৃপসূতা ধাত্রীকে আগমন করিতে দেখিয়া হৃষ্টান্তঃকরণে নিভৃতস্থানে জিজ্ঞাসা করিলেন;-ধাত্রি! তুমি কোন নৃপতিকে কিরূপ দেখিলে? ৪০

সেই যাত্রী বলিতে লাগিল,–তোমার সদৃশ বরের উপযুক্ত বহু রাজা আমি দেখিয়াছি; তাহার মনোহররূপসম্পন্ন, কুলনি ও সৰ্ব্বশাস্ত্ৰ-পারদশী। ৪১

তাহাদের গুণ বর্ণনা করিতে আমি সক্ষম হইতেছি না; সেই রাজবর্গের মধ্যে তাহাদিগের সকলকেই আমি ভাল বলি। ৪২

হে শুভ প্রদে। তাহাদের বিষয় বলিতেছি; সেই বহু-রাজার মধ্যে চারিটী পুরুষ আমি দেখিলাম, কিন্তু তাহার মধ্যে দুইটী অশ্বিনীকুমারদ্বয়, অপর দুইটী মনুষ্য। ৪৩

সেই দেবদ্বয়ের কাৰ্য্য বলিবার কোন দরকার নাই। সেই দুইটী ক্ষিতি পালের মধ্যে সুলক্ষণ-সম্পন্ন একটি সপত্নীক, নাম সৰ্বাঙ্গকল্যাণ, অপরটীর নাম চন্দ্রশেখর। ৪৪-৪৫

অশ্বিনীকুমারদ্বয়ের সহিত তাহাদের বিশেষ কিছুই পার্থক্য নাই। রূপে শরীরলাবণ্যে সকলেই অত্যন্ত মনোহর। ৪৬

তাহার মধ্যে সেই নৃপদ্বয় মহাসত্ত্ব-সম্পন্ন, সিংহস্কন্ধ ও মহাভুজবিশিষ্ট, তাহাদের নয়ন, মুখ, হস্ত ও পদ আরক্ত। ৪৭

বক্ষঃস্থল স্থূল, নয়নদ্বয় বিশাল, যুগল পরস্পর-সংযুক্ত; তাহারা সৰ্ব্ব লক্ষণ-সম্পন্ন এবং দেবালঙ্কারে ভূষিত। ৪৮

তাহাদের মধ্যে বয়ঃস্থহেতু চন্দ্রশেখরই উপযুক্ত; সত্যবাদী; শাস্ত্র ও শস্ত্রবিদ্যায় পারদর্শী। ৪৯

তাহার ঈষদুদ্গত-রোমাবলী-বিরাজিত সুনির্মল মনোহর বদন মৃগলাঞ্ছিত চন্দ্রের ন্যায় শোভাসম্পন্ন। ৫০

তিনি শিরঃস্থিত প্রদীপ্ত চন্দ্রকলা দ্বারা সাক্ষাৎ চন্দ্রশেখরের ন্যায় শোভা পাইতেছেন। ৫১

হে সুন্দরি! তিনিই তোমার পতিপদে প্রতিষ্ঠার যোগ্য, অতএব শিরঃস্থিত চন্দ্রকলারূপ চিহ্ন দ্বারা লক্ষ্য করত তোমার যোগ্য সেই শুভোদয় রাজাকে তুমি বরণ কর। ৫২

রাজকুমারী, ধাত্রীর এইরূপ বাক্য শ্রবণ করিয়া তাহাকে বলিলেন, ধাত্রি। সেই স্বয়ম্বর স্থলে গমন করত আমার পার্শ্বচারিণী হইয়া সেই রাজকুমারকে তোমায় দেখাইতে হইবে। ৫৩

এইরুপ ধাত্রী ও রাজকুমারী পরস্পর আলাপ করিতেছেন, এমন সময় রাজা স্বয়ম্বরস্থলে উপস্থিত করিবার জন্য তাহাদের সমীপে গমন করিলেন। ৫৪

চন্দ্রশেখরের বিবাহ - কালিকা পুরাণ

সমস্ত পুরস্ত্রীগণ, মঙ্গলগৃহে তনয়ার বিবাহোচিত মঙ্গলাচরণ করিলে ককুৎস্থ স্বয়ং তাহার সমীপে গমন করিলেন। ৫৫

গন্ধযুক্ত পুষ্পমাল্য গ্রহণ করিয়া কন্যার করে অপণ করিলেন এবং ক্ষণ কাল অবস্থান করত বলিলেন। ৫০

মাতঃ! তুমি স্বয়ম্বর সভায় উপস্থিত হইয়া শ্রেষ্ঠ রাজা, কি ব্রাহ্মণ,–যিনি তোমার অভিলষিত হইবেন, তাহাকেই বরণ করিও। ৫৭।

এই কথা বলিয়া ককুৎস্থ, রাজতনয়াকে সপ্ত-বৃদ্ধ-পুরুষ-বাহ্য শিবিকাতে আরোহণ করাইয়া সভায় উপস্থিত করিলেন। ৫৮

রাজকুমারী সভায় আগমন করিয়াছেন দেখিয়া শক্রাদি দেবগণ ও দিকপালগণ সকলেই সেই সময় আগমন করিলেন। ৫৯

তারাবতী, শিবিকা হইতে অবতরণ করত ধাত্রীসহ সভামধ্যে বিচরণ করিতে লাগিলেন। ৬০

সভামধ্যে ক্ষণকাল বিচরণ করিয়া, ভাবি-নিয়তিবশতঃ চণ্ডিকার প্রসাদে এবং তাহাদের সমতা ও একতাহেতু ধাত্রীর নির্দেশক্রমে–গমন-জন্য পরিশ্রম বশতঃ উদগত ঘর্মবিন্দু দ্বারা বিরাজিতবদনে ককুৎস্থরাজকুমারী তারাবতী স্বয়ং পার্বতীর ন্যায় ভূতপূৰ্ব পতি চন্দ্রশেখরকে বরণ করিলেন। ৬১-৬৩

বরণ শেষ হইলে ব্রাহ্মণগণ সংযতচিত্তে সাম-গীতি দ্বারা তাহাদের বৈবাহিক কাৰ্য্য সম্পন্ন করিলেন। ৬৪

হে নৃপ! তাহার পর বৈতালিকগণ প্রশংসা করিতে লাগিল, গায়কেরা সুমধুরতানে গান করিতে লাগিল, বাদকগণ একতান বাদ্য করিতে লাগিল। ৬৫

তারাবতী চন্দ্রশেখরকে বরণ করিলে দেবগণ অত্যন্ত আনন্দিত হইলেন, ককুৎস্থও অত্যন্ত হৃষ্ট হইলেন। ৬৬

সুবাহু প্রভৃতি ভূপতিগণ এইরূপ বরণ দর্শনে অত্যন্ত রোষ-পরবশ হইয়া উঠিলে চন্দ্রশেখর তাহাদিগকে সভাতেই নিবারণ করিলেন। ৬৭

তাহার পর দেবগণ ইচ্ছাবশতঃ ত্রিদশভবনে গমন করিলেন এবং ভূপতিগণ ককুৎন্থের অর্চনা গ্রহণ করত স্বস্থানে গমন করিলেন। ৬৮

চন্দ্রশেখর ককুৎস্থের অনুমতিক্রমে বৈবাহিক বিধি অনুসারে ভাৰ্য্যা তারাবতীকে পুনর্বার সংস্কার করত বেদবিদ ব্রাহ্মণগণের দ্বারা বিবাহ-সংস্কার দেবতাদিগকে জ্ঞাপন করাইলেন। ৬৯-৭০

চন্দ্রশেখর তারাবতীকে সহচারিণী করিয়া শীঘ্র করবীরপুরে গমন করিবার উদযোগ করিলেন। ৭১

ককুৎস্থরাজা চন্দ্রশেখরকে বিবাহে অষ্টাবিংশতি সহস্র দাসী এবং ষষ্টি সহস্র সৌরভী গো দান করিলেন। রাজা দুহিতাকে পরিমাণমত দাস দাসী ধন প্রভৃতি দান করিলেন। ৭২-৭৩

ককুৎস্থের চিত্রাঙ্গদা নামে অপর তনয়া, রূপে তারাবতী-তুল্য। ৭৪

সে স্বয়ং দাসীগণের অধীশ্বরী হইয়া জ্যেষ্ঠা ভগিনী তারাবতীয় সহিত গমন করিল। ৭৫

বিশ্বাবসু নামে ককুৎস্বরাজের জ্যেষ্ঠ পুত্র, বিবাহে প্রদত্ত ধনসমস্ত গ্রহণ করত শীঘ্রগামী রথে আরোহণ করিলেন। ৭৬

তিনি তারাবতীসহ স্বীয় নগরাভিমুখে গমনোদ্যত চন্দ্রশেখরের করবীরপুর পৰ্য্যন্ত অনুগমন করিলেন। ৭৭

নৃপশ্রেষ্ঠ পৌষ্যতনয় চন্দ্রশেখর, রমণীয় করবীরপুরে তারাবতী সহ সুখে কাল অতিবাহিত করিতে লাগিলেন। ৭৮

এইরূপে মহাদেব স্বয়ং মানবযোনি আশ্রয় করিয়াছিলেন এবং পার্বতীও স্বয়ং এইরূপে মনুষ্য-গর্ভে জন্মগ্রহণ করিয়াছিলেন। ৭৯

হে রাজেন্দ্র। যেরূপে মহাকাল ও ভৃঙ্গী ইহাদের পুত্ররূপে জন্মগ্রহণ করিল তাহা বলিতেছি শ্রবণ করুন। ৮০

অষ্টচত্বারিংশ অধ্যায় সমাপ্ত। ৪৮

আরও পড়ুনঃ

বেতাল-ভৈরবের উপাখ্যান – কালিকা পুরাণ
ভৃঙ্গী ও মহাকালের শাপবিবরণ – কালিকা পুরাণ
কালীর গৌরীমূর্তি ও শিবের অর্ধাঙ্গতা প্রাপ্তি – কালিকা পুরাণ

মন্তব্য করুন