বিশেষ বিশেষ সদাচার কথন – কালিকা পুরাণ
পঞ্চাশীতিতম অধ্যায় – বিশেষ বিশেষ সদাচার কথনঃ ঔৰ্ব বলিলেন,–হে নৃপতে! নৃপতিগণের অবশ্য কর্তব্য বিশেষ বিশেষ সদাচার সম্প্রতি বর্ণন করিতেছি শ্রবণ …
শাস্ত্র
পঞ্চাশীতিতম অধ্যায় – বিশেষ বিশেষ সদাচার কথনঃ ঔৰ্ব বলিলেন,–হে নৃপতে! নৃপতিগণের অবশ্য কর্তব্য বিশেষ বিশেষ সদাচার সম্প্রতি বর্ণন করিতেছি শ্রবণ …
চতুরশীতিতম অধ্যায় – রাজনীতি কালিকা: ঋষিগণ বলিলেন,–মহাভাগ। আপনি সকল কথাই বলিলেন, আমাদিগের সন্দেহ ভঞ্জনও করিলেন; গুরুদেব! আপনার প্রসাদে আমরা কৃতার্থ …
ত্র্যশীতিতম অধ্যায় – পরশুরামের উপাখ্যানঃ ঔৰ্ব বলিলেন,–কিছুকাল অতীত হইলে, মহাতপা জমদগ্নি স্বয়ং যত্নসহকারে, সুলক্ষণা বিদর্ভরাজ-তনয়া রেণুকাকে বিবাহ করিলেন। ১ রেণুকা, জমদগ্নিসংসর্গে রুষণ্বান, …
দ্বশীতিতম অধ্যায় – ব্ৰহ্মপুত্রের উৎপত্তিবিবরণঃ মার্কণ্ডেয় বললেন,–হে দ্বিজবরগণ! রাজা সগর, ঔৰ্ব ঋষির কথা শুনিয়া হর্ষোৎফুল্লচিত্তে জিজ্ঞাসা করিলেন। ১ ব্ৰহ্মপুত্ৰ লৌহিত্য, অমোঘগর্ভে উৎপন্ন …
একাশীতিতম অধ্যায় – বসিষ্ঠ শাপঃ ঔর্ব বলিলেন;–পূৰ্বকালে সকল লোকেই মহাপীঠ কামরূপে তত্রত্য নদীতে স্নান, তদীয় জল পান, এবং তথাকার দেবতা …
অশীতিতম অধ্যায় – নদী বিবরণের উপসংহারঃ ঔর্ব বলিলেন,–মৎস্য-ধ্বজাধিষ্টিত শাশ্বতী নামে যে নদীর কথা পূৰ্ব্বে বলিয়াছি, তাহার পূর্বে দীপবতী নামে এক নদী আছে। ১ …
একোনাশীতিতম অধ্যায় – তীর্থ প্রসঙ্গঃ ঔর্ব বলিলেন,–হে মহারাজ! তাঁহার পূর্বে দর্পণ নামে পৰ্বত, এই পৰ্বতে যক্ষগণের সহিত কুবের সৰ্ব্বদা বাস করেন। ১ …
অষ্টসপ্ততিতম অধ্যায় – নৈর্ঋতাদিভাগের নির্ণয়ঃ মহারাজ সগর মহাত্মা বেতাল ভৈরব ও শঙ্করের পরস্পর এই কথোপকথন শ্রবণ করিয়া অত্যন্ত সন্তুষ্টচিত্তে পুনর্বার …
সপ্তসপ্ততিতম অধ্যায় – কামরূপ প্রদর্শন—জল্পীশলিঙ্গমাহাত্ম্যঃ ঔৰ্ব বলিলেন,–তাঁহার পর কামরূপের বায়ুকোণে মহাদেব জল্পীশনামক আপনার লিঙ্গ দেখাইয়াছিলেন। ১ যে স্থানে নন্দী জগৎপতি মহাদেবের আরাধনা …
ষট্সপ্ততিতম অধ্যায় – বেতাল ভৈরবের সিদ্ধিলাভ: ভগবান্ বলিলেন,–মন্ত্র শুদ্ধি দেখিয়াই উত্তম মন্ত্র গ্রহণ করিবে। অক্ষর ভেদে মন্ত্র চারি প্রকার–সিদ্ধ, সুসিদ্ধ, সাধ্য …